সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ নং ওয়ার্ডের ৭টি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম

সিদ্ধিরগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডের ৭টি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডের ৭টি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল কম। এই কেন্দ্র গুলোতে ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহন করেন নাসিক ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি। কিন্ত ভোটের দিন শুধু তার বাড়ীর পাশের কেন্দ্রটিতে কিছু ডামি ভোটারদেরকে লাইনে দাড় করিয়ে রাখতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডের কেন্দ্র গুলো হচ্ছে,সফুরা খাতুন পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়-১, আইলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, সফুরা খাতুন পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়-২,চর সুমিলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,সফর আলী ভ’ইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও আদমজী একটিভ হাই স্কুল। এসব কেন্দ্র গুলোতে সকাল ৮ টায় ভোট গ্রহন শুরু হলেও সাড়ে ৯টা থেকে ভোটাররা আসতে শুরু করেছেন। তবে অনেকের মতে তীব্র শীতের কারনে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসতে বিলম্ব হয়েছে।এমনকি অধিকাংশ কেন্দ্রে দলীয় নেতা-কর্মীদের বেলা বাড়ার পর কেন্দ্রে আসতে দেখা গেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,ভোট কেন্দ্রে আনসার,পুলিশ ও ভিডিপি সদস্য সহ ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ২/১ জন করে ভোটার আসতে দেখা গেছে। এছাড়া এবার যারা প্রথম ভোটার হয়েছে তাদেরকে ভোট দিতে আসতে দেখা গেছে।
এদিকে, নাসিক ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি ৭টি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহন করলেও বাস্তবে এর কোন আলামত লক্ষ্য করা যায়নি। শুধুমাত্র তার বাড়ীর পাশের আইলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তার অফিসের সামনের নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র দুটিতে কিছু ডামি ভোটারদেরকে লাইনে দাড় করিয়ে রাখতে দেখা গেছে। মিডিয়া কর্মীদের দেখতে পেলেই সবাই লাইনে দাড়িয়ে থাকে আর তারা কেন্দ্র থেকে চলে গেলেই ফাকা হয়ে যায়। বেলা দেড়টায় তার বাড়ীর পাশের আইলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতি দেখে দলীয় নেতা-কর্মীদের লাইনে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় একজন মিডিয়াকর্মী আঞ্জুমান নামে একজন মহিলা ভোটারকে তার আঙ্গুলে অমোচনীয় কালি দেখে প্রশ্ন করেন, আপনি ভোট দেয়ার পরেও কেন আবার লাইনে দাড়িয়েছেন ? তখন তিনিসহ দ্রুত অন্যরা সটকে পড়েন। মুহুর্তেই গোটা কেন্দ্র ফাকা হয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *